Home Entertainment বর্ষার রাতে খালার সাথে,খালা চুদার গল্প
বর্ষার রাতে খালার সাথে,খালা চুদার গল্প
আমার নাম সিয়াম। বয়স ২৬। গত মাসে ঈদের ছুটিতে খালার বাড়িতে গিয়েছিলাম কয়েকদিনের জন্য। খালা নাদিয়া, বয়স ৪১। বিধবা না হলেও তার স্বামী দুবাইয়ে চাকরি করে, বছরে একবার আসে। খালা দেখতে অসাধারণ — ফর্সা গায়ের রং, মোটা-মোটা ঠোঁট, ভারী দুধ আর পেলব ভারী পাছা। শাড়ি পরলে তার শরীরের কাটিং দেখে অনেকেরই ঘাড় ঘুরে যায়।
বাড়িতে সেদিন খুব জোরে বৃষ্টি পড়ছিল। রাত ১১টার দিকে লোডশেডিং হয়ে গেল। খালা একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে আমাকে তার ঘরে ডেকে নিল।
“সিয়াম, আজকে আমার ঘরেই শো। একা একা ভয় লাগছে রে বাবা।”
খালা একটা পাতলা সাদা নাইটি পরে ছিল। নাইটির ভিতর দিয়ে তার কালো ব্রা আর প্যান্টির আউটলাইন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। আমরা পাশাপাশি খাটে শুয়ে গল্প করছিলাম। গরমে খালা ঘেমে যাচ্ছিল। হঠাৎ খালা পাশ ফিরে আমার দিকে মুখ করে শুলো। তার বিশাল দুধ আমার বুকের সাথে চেপে লেগে গেল।
আমার লিঙ্গ তখনই পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। সাহস করে আমি খালার কোমরে হাত রাখলাম। খালা কিছু বলল না, শুধু গভীর করে শ্বাস নিল। আমি আরও সাহস করে তার পিঠে হাত বুলাতে লাগলাম। খালা ফিসফিস করে বলল,
“সিয়াম… তোর খালার শরীর অনেকদিন ধরে আগুন হয়ে আছে… তুই কি খালাকে সান্ত্বনা দিতে পারবি?”
এই কথা শুনে আমি আর নিজেকে আটকাতে পারলাম না। খালাকে জড়িয়ে ধরে তার ঠোঁটে গভীর চুমু খেলাম। খালাও পাগলের মতো চুমু খেতে লাগল। আমাদের জিভ একে অপরের মুখের ভিতর নাচতে লাগল।
আমি খালার নাইটির বোতাম খুলে তার দুধ বের করে ফেললাম। দুটো বড় বড়, ভারী, নরম দুধ। গোলাপি বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা দুধ মুখে নিয়ে জোরে চুষতে লাগলাম। খালা “আহহহ… জোরে চুষ রে… অনেকদিন কেউ চোষেনি” বলে আমার চুল ধরে চেপে ধরল।
অনেকক্ষণ দুধ চোষার পর আমি খালার নাইটি পুরো খুলে ফেললাম। খালা এখন শুধু কালো প্যান্টি পরে আছে। আমি প্যান্টিটাও খুলে দিলাম। খালার ভোদা দেখে আমার মাথা ঘুরে গেল — ঘন কালো চুলে ঢাকা, ফোলা ফোলা, রসে চকচক করছে।
আমি খালার পা ফাঁক করে মুখ নামিয়ে চাটতে শুরু করলাম। খালা পাগলের মতো ছটফট করছিল — “উফফ… সিয়াম… তোর জিভটা অসাধারণ… আরও জোরে চাট… আহহহ!”
প্রায় ১৫ মিনিট খালার ভোদা চাটার পর খালা আমাকে উপরে টেনে তুলল।
“আর পারছি না রে… তোর লিঙ্গটা এখন ঢোকা।”
আমি প্যান্ট খুলে আমার ৭.৫ ইঞ্চি শক্ত মোটা লিঙ্গ বের করলাম। খালা দেখে চোখ বড় বড় করে বলল, “বাবা রে! এত বড় আর মোটা! আস্তে ঢোকা।”
খালা চিৎ হয়ে শুয়ে দুই পা আকাশের দিকে তুলে ধরল। আমি তার ভোদার মুখে লিঙ্গ ঘষে ঘষে ধীরে ধীরে ঢোকাতে লাগলাম। গরম, টাইট, রসে ভেজা ভোদার ভিতরটা অপূর্ব লাগছিল। পুরোটা ঢোকানোর পর খালা “আআআহহহ… ফেটে যাচ্ছে…” বলে চিৎকার করে উঠল।
তারপর শুরু হলো জোরে জোরে ঠাপানি। খাটের খটখট শব্দ, বৃষ্টির আওয়াজ আর খালার আঃ উঃ শব্দ মিলে রাতটা ভরে গেল। আমি খালার দুধ দুই হাতে চেপে ধরে পাগলের মতো চোদতে লাগলাম।
খালা বলছিল, “জোরে চোদ সিয়াম… খালার ভোদা তোর… যত জোরে পারিস ফাটিয়ে দে… আহহহ… মাগো!”
প্রথম রাউন্ডে প্রায় ২৫ মিনিট চোদার পর খালা শরীর কাঁপিয়ে জোরে অর্গাজম করল। আমিও খালার ভোদার ভিতরেই ঢেলে দিলাম গরম বীর্য।
কিন্তু রাত তো এখনও অনেক বাকি। খালা একটু বিশ্রাম নিয়ে আমার লিঙ্গটা হাতে নিয়ে চুষতে শুরু করল। তারপর দ্বিতীয় রাউন্ডে খালা উপরে উঠে কাউগার্ল স্টাইলে চোদা শুরু করল। তার বিশাল দুধ দুই হাতে ধরে লাফাচ্ছিল।
তৃতীয় রাউন্ডে ডগি স্টাইলে খালার পেছন থেকে চুদলাম। তার ভারী পাছা চেপে ধরে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। খালা বালিশ কামড়ে কাঁদতে কাঁদতে বলছিল, “আরও জোরে… খালাকে আজ পুরোপুরি ভরে দে…”
ভোর ৪টার দিকে আমরা ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়লাম। খালা আমার বুকে মাথা রেখে বলল,
“সিয়াম, যতদিন থাকবি, প্রতি রাতে এভাবে খালার ভোদা চুদবি। কেউ যেন না জানে। আর তুই চলে গেলেও… খালা তোকে মনে করে নিজের ভোদায় আঙুল দিয়ে সান্ত্বনা নিব।”
এবার কেমন লাগলো?
0 Comments